রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:১২
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

জেনারেল সোলাইমানিকে যে কারণে হত্যা করা হয়

অনলাইন ডেস্ক  মার্কিন হামলায় ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও ইরাকি কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিস নিহত হয়েছেন।

শিয়াদের কয়েকটি সশস্ত্র ইউনিট মিলে দ্য হাশেদ নেটওয়ার্ক গঠিত হয়েছে। তাদের অধিকাংশই তেহরানের ঘনিষ্ঠ। তাদের অবশ্য ইরাকি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে একীভূত করে ফেলা হয়েছে।

২০১৪ সালে তারা আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে। ইরাকে যুক্তরাষ্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বড় অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের।

আল-কুদসের প্রধান সোলাইমানি ইরাকে প্রতিবেশী ইরানের মূলপ্রতিনিধির কাজ করে আসছিলেন। সরকারবিরোধী বিক্ষোভসহ বিভিন্ন সময়ে তিনি ইরাক সফরে গিয়েছেন।

নিহত এই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধেই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগন বলছে, ইরাক ও পুরো অঞ্চলে মার্কিন সেনা ও কূটনীতিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করে আসছিলেন সোলাইমানি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, কাসেম সোলাইমানির হত্যার হাত থেকে বিদেশে মার্কিন নাগরিকদের রক্ষায় চূড়ান্ত প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।

কিন্তু কীভাবে সোলাইমানি হত্যার পরিকল্পনা করেছেন, সে ব্যাপারে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি পেন্টাগন।

শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর বিশেষজ্ঞা ফিলিপ স্মিথ বলেন, ২০১১ সালে মার্কিন অভিযানে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন ও ২০১৯ সালে আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদীকে হত্যার চেয়েও সোলাইমানি হত্যার পরিণতি ভয়াবহ হবে।

মঙ্গলবার বাদগাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা ও ভাঙচুর চালায় হাশেদ গোষ্ঠী। এর আগে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে কাতায়েব হিজবুল্লাহর ২৫ সেনাকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া ইরাকে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে কয়েক দফা রকেট হামলার ঘটনায় ইরানকে দোষী করে আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তখন তিনি বলেছেন, তাদের অবশ্যই বড় খেসারত দিতে হবে। এটা কোনো হুশিয়ারি না, হুমকি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মার্ক এসপার বলেছেন, ইরান ও দেশটির সমর্থিত বাহিনী আরও হামলা চালাতে পারে বলে তাদের কাছে আভাস রয়েছে। কাজেই নাগরিকদের রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র আরও নিবৃত্তিমূলক হামলা চালাতে পারে।

কোনো ধরনের প্রমাণ ও নথি উপস্থাপন ছাড়াই সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সেখানে এমন কিছু আভাস পাওয়া যাচ্ছে যে তারা সম্ভবত আরও হামলার পরিকল্পনা করেছে। এটা নতুন কিছু না। গত দুই থেকে তিন মাস ধরেই আমরা এটা দেখে আসছি।

‘যদি সেটা ঘটে, তখনও আমরাও পদক্ষেপ নেব, যদি আমরা হামলার প্রতিশ্রুতি পাই, অথবা কোনো ধরনের আভাস, মার্কিন বাহিনী ও নাগরিকদের রক্ষায় আমরা নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ নেব,’ বললেন তিনি।